.

যুক্তরাষ্ট্রে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৫৩,০৬৯ জন আক্রান্ত, নতুন রেকর্ড

ওয়াশিংটন, ৩ জুলাই, ২০২০ (বাসস ডেস্ক) : যুক্তরাষ্ট্রে বৃহস্পতিবার ২৪ ঘণ্টায় মহামারি করোনা ভাইরাসে নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা ৫৩ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। দেশটিতে একদিনে কোভিড-১৯ ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির এটি একটি নতুন রেকর্ড। জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটির সর্বশেষ পরিসংখ্যান থেকে এ তথ্য জানা যায়। খবর এএফপি’র।
স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ৮ পর্যন্ত (গ্রীনিচ মান সময় শুক্রবার ০০৩০ টা) বাল্টিমোর ভিত্তিক ওই ইউনিভার্সিটির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ৫৩ হাজার ০৬৯ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। এনিয়ে মহামারির শুরু থেকে দেশটিতে কোভিড-১৯ ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে মোট ২৭ লাখ ৩৫ হাজার ৩৩৯ জনে দাঁড়ালো।
এর আগের ২৪ ঘণ্টায় যুক্তরাষ্ট্রে ৫২ হাজার ৮৯৮ জন কোভিড-১৯ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিল।
ইউনিভার্সিটির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় নতুন করে আরো ৬৪৯ জন প্রাণ হারিয়েছে। এনিয়ে দেশটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে মোট ১ লাখ ২৮ হাজার ৬৭৭ জনে দাঁড়ালো।
এ মহামারিতে বিশ্বে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ যুক্তরাষ্ট্রে পরপর দ্বিতীয় দিন রেকর্ড সংখ্যক মানুষ কোভিড-১৯ ভাইরাসে আক্রান্ত হলো।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে বিগত কয়েকদিন ধরেই নতুন করে প্রতিদিনের আক্রান্তের সংখ্যা ৪০ হাজার ছাড়িয়ে ছাড়িয়ে যেতে দেখা যাচ্ছে। দেশটি এ ভাইরাসের দ্রুত বিস্তার রোধে লড়াই করছে।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও পশ্চিমাঞ্চলের অঙ্গরাজ্য গুলোতে করোনাভাইরাসের নতুন বিস্তার লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এতে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগের কেন্দ্রে রয়েছে ফ্লোরিডা। কেননা, বর্তমানে এ অঙ্গরাজ্য করোনাভাইরাস ব্যাপক বিস্তারের নতুন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। রাজ্যটিতে এ পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ৬৯ হাজার ছাড়িয়ে গেছে।
গভর্নর রন ডিস্যান্টিজ করোনা বিস্তারের বর্তমান পরিস্থিতির জন্য তরুণ সমাজকে বিভিন্ন পার্টি, সমুদ্র সৈকত, বার, সুইমিং পুল ও অন্য আরো অনেক স্থানে জড়ো হয়ে ‘সামাজিক যোগাযোগ’ বাড়ানোকে দায়ী করেন। এছাড়া করোনা পরীক্ষা কর্মসূচি আরো অনেক জোরদার করায় সংক্রমণ বেশি ধরা পড়ছে।
টেক্সাসের গভর্নর গ্রেগ অ্যাবোট ২০ জন বা তার বেশি আক্রান্ত হওয়া কাউন্টিগুলোতে জনগণকে মাস্ক পরার নির্দেশ দিয়েছেন এবং ১০ জনের অধিক লোকের একত্রিত হওয়া নিষিদ্ধ করেছেন। টেক্সাসে কোভিড-১৯ ভাইরাসে এ পর্যন্ত আড়াই হাজারেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছে।
এদিকে কোভিড-১৯ ভাইরাসে মৃতের ও আক্রান্তের সংখ্যা আবার অনেক বেড়ে যাওয়ার কারণে এ দুই অঞ্চলের রাজ্যগুলোতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ফের খুলে দেয়ার প্রক্রিয়া থেমে গেছে।