.

উৎসব মৌসুমে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে সজাগ থাকতে দেশবাসীর প্রতি নরেন্দ্র মোদীর আহ্বান

নয়াদিল্লি, ২০ অক্টোবর, ২০২০ (বাসস) : ভারতে উৎসব মৌসুম শুরু হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আজ করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে সজাগ থাকার জন্য সকলকে সতর্ক করেছেন, যদিও কোভিড ১৯ এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে দেশটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক অতিক্রম করেছে।
ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয় আজ জানায়,ভারতে গত তিন মাসের মধ্যে প্রথমবারের মতো গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে কোভিড ১৯ আক্রান্তের সংখ্যা ৫০ হাজারের নিচে নেমে এসেছে।
এ ছাড়াও সংক্রমিতদের রোগীর সংখ্যা ১০ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে। বর্তমানে দেশে মোট করোনাপজেটিভ রোগীর সংখ্যা ৭ লাখ ৫০ হাজারের কম এবং যা মোট সংক্রমিতদের মাত্র ৯.৮৮ শতাংশ।
আগামী ৫ মাস ধরে উৎসব শুরুর প্রাক্কালে দেশবাসীর উদ্দেশে নরেন্দ্র মোদী তার এক টেলিভিশন ভাষণে বলেন, আপনারা (দেশবাসী) ভাববেন না যে লকডাউন প্রত্যাহার করায় করোনাভাইরাস চলে গেছে।
“করোনাভাইরাস এখনো সক্রিয় আছে। তাই এ ব্যাপারে আমাদের উদাসীন থাকা উচিত নয়, যতক্ষণ না আমরা ভ্যাকসিন পাচ্ছি ততক্ষণ আমরা আত্মতুষ্ট হবো না” এ কথা উল্লেখ করে বলেন, মহামারির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য ভারত দু’টি অথবা তিনটি সম্ভাব্য ভ্যাকসিন নিয়ে কাজ করছে।
এ প্রসঙ্গে মোদী বলেন, দেশে যখন ভ্যাকসিন পাওয়া যাবে পরিকল্পনা অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে ভারতের সকলেই ভ্যাকসিন পাবেন।
তিনি বলেন, “যতক্ষণ আমরা ভ্যাকসিন না পাই , এ সময় যদি আমরা দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ করি তবে আমরা নিজের এবং চারপাশের সকলের ক্ষতি করতে পারি।”
তিনি মাস্ক পড়তে, শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে, নিয়মিত হাত ধোয়ার এবং প্রয়োজনে স্যানিটাইজার ব্যবহারের আহবান জানান। তিনি প্রয়োজন না হলে নাগরিকদের ঘরের বাইরে না যাওয়ার আহবান জানিয়েছেন।
ভ্যাকসিনের সহজলভ্যতা সম্পর্কে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রী ডা.হর্ষবর্ধন আগে বলেছেন, দু’টি প্রতিষ্ঠান সিরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া এবং ভারত বায়োটেক উদ্ভাবিত ভ্যাকসিন অনুমোদনের পরে আশা করা হচ্ছে তারা তাদের ভ্যাকসিনের শেষ ধাপের ক্লিনিক্যাল টেস্ট শুরু করবে।
পাশাপাশি ভারতে অবস্থিত বহুজাতিক ওষুধ কোম্পানি ডা. রেড্ডির ল্যাবরেটরি লিমিটেড এবং রাশিয়ার সরাসরি বিনিয়োগে ভারতে তাদের “স্পুটনিক ভি” ভ্যাকসিন ক্লিনিক্যাল টেস্টের দ্বিতীয় ধাপের জন্য অনুমতি পেয়েছে।
কেন্দ্রীয় মেডিকেল প্যানেল সতর্ক করে বলেছে, সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহনে শিথিলতা করলে উৎসব এবং শীতের শুরুতে সংক্রমনের আশঙ্কা রয়েছে।

Go to Source
October 21, 2020
12:00 AM