.

উত্তেজনার প্রেক্ষিতে কয়েক শ’ সিরিয়ান নাগরিক লেবানিজ শহর ছেড়ে গেছে

ত্রিপোলি, (লেবানন), ২৮ নভেম্বর, ২০২০ (বাসস ডেস্ক) : সিরিয়ার নাগরিকের দ্বারা কথিত এক হত্যাকান্ডের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৈরীতা সৃষ্টি হওয়ায় কমপক্ষে ২৭০টি পরিবার লেবাননের উত্তরাঞ্চলের একটি শহর ছেড়ে চলে গেছে। জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থা শুক্রবার এ খবর জানিয়েছে।
খ্রিস্টান-সংখ্যাগরিষ্ঠ শহর ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া সিরীয়দের অনেকেই জানিয়েছে, লেবাননের এক নাগরিককে গুলি করে হত্যা করার বিষয়ে একজন সিরীয়কে সোমবার অভিযুক্ত করার পর বশর শহরের বাসিন্দারা সিরিয়ার নাগরিকদেরকে তাড়িয়ে দিয়েছে।
শরণার্থী বিষয়ক জাতিসংঘ হাই কমিশনার (ইউএনএইচসিআর) বশর শহরে সিরীয়দের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিশোধের নিন্দা জানিয়ে বলেছে, অনেক পরিবার তাদের জিনিসপত্র না নিয়ে ভয়ে পালিয়ে গেছে।
ইউএনএইচসিআর-এর এক মুখপাত্র এক বিবৃতিতে বলেছে, একজন ব্যক্তির অপরাধের সাথে জড়িত থাকার ঘটনার জন্য পুরো সম্প্রদায়ের জন্য শাস্তি অগ্রহনযোগ্য।
তবে লেবাননের অফিসিয়াল ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি হত্যার প্রেক্ষিতে সিরীয়দের জোরপূর্বক উচ্ছেদের কথা জানিয়েছে। বশরের মেয়র সে কথা অস্বীকার করে বলেছেন, তারা ভয়ে পালিয়ে গেছে।
অর্থনৈতিক সঙ্কটে জর্জরিত লেবানন বলছে যে, তারা প্রায় ১৫ লাখ সিরীয়কে আশ্রয় দিয়েছে। এদের মধ্যে প্রায় ১০ লাখ শরণার্থী হিসেবে জাতিসংঘে নিবন্ধিত।
ত্রিপোলিতে এএফপি’র সংবাদদাতা উত্তরাঞ্চলীয় নগরীতে ইউএনএইচসিআর ভবনের বাইরে কয়েক ডজন সিরীয় পরিবারকে জড়ো হতে দেখেছেন।
সিরীয় পাঁচ বছরের শিশুর ৩১ বছর বয়সী মা উম্মে খালেদ এএফপিকে বলেছেন, বশরে একদল যুবক “আমাদের উপর হামলা করেছে, হুমকি দিয়েছে এবং বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে।”
তিনি আরো জানান, তারা তাদের বাচ্চাদের নিয়ে ৪০ কিলোমিটার (২৫ মাইল) দূরে অবস্থিত ত্রিপোলিতে পালিয়ে যান।
কয়েক বছর ধরে বশরে বসবাসকারী ৩০ বছর বয়সী সিরিয়ান ইয়াসিন হাসান বলেন যে, তাকে একদল লোক মারধর করেছে। তিনি এএফপিকে বলেছেন, “আমরা বাসা থেকে কিছু না নিয়েই পালিয়ে এসেছি।”

Go to Source
November 28, 2020
9:01 PM